পাপড়ি রহমানের উপন্যাস ‘বয়ন’ : জীবনশিল্পীদের ক্ষয়ে যাওয়া নকশা

‘বয়ন’ উপন্যাসে জীবনের ঘটনাবলি আছে ঠিকই। কিন্তু পাপড়ি রহমান সময়টারে বুঝতে দেন নাই তার উপন্যাসে। উপন্যাস পাঠে মনে হইতে পারে এর সময়কাল মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দশকের। তার মানে আশি বা মধ্য আশি-নব্বই। জনগোষ্ঠীরে নিয়া উপন্যাস লিখতে গেলে সময় একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ- এরা দেশীয় পরিস্থিতির বাইরে বিরাজ করে না। পাপড়ি রহমান এই বিষয়টা বোধহয় খেয়াল করেন নাই। কোন এলাকার বা পেশার মানুষের জীবন তার সমসময় দ্বারা প্রভাবিত হয়-ই। সমসময়ের রাজনীতি আর সংস্কৃতির আগ্রাসনে তারা বিপর্যস্ত হয়। বয়ন উপন্যাসে মুগরাকুল বা দীঘিবরাবো এলাকায় বেঁচে থাকা মানুষেরা একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়া পড়লেন। তারা আর বাইরে যান না বা বাইরের কেউ তাদের গ্রামে আসে না। পড়তে থাকুন পাপড়ি রহমানের উপন্যাস ‘বয়ন’ : জীবনশিল্পীদের ক্ষয়ে যাওয়া নকশা

হোসে সারামাগোর ‘অন্ধত্ব’ নিয়ে

গোটা শহরে, এই উপন্যাস মতে, একজন ছাড়া সবাই অন্ধ হয়ে যায়। সেই একজন ডাক্তারের বউ, বা বলা যায় অপথালমোলোজিস্টের বউ। সে একাই অন্ধদের মাঝে চোখে দেখে। বাকিরা গোটা শহরের মানুষ-আইন-প্রশাসন-সরকার-সেনাবাহিনী-ব্যাংক, সবাই অন্ধ হয়ে যায়। পড়তে থাকুন হোসে সারামাগোর ‘অন্ধত্ব’ নিয়ে

শাহীন আখতারের ‘সখী রঙ্গমালা’ : শুধু রাজচন্দ্রের গীত

সখী রঙ্গমালায় এক ইতিহাস আছে। চৌধুরীদের ইতিহাস। পড়তে থাকুন শাহীন আখতারের ‘সখী রঙ্গমালা’ : শুধু রাজচন্দ্রের গীত

জাকির তালুকদারের মুসলমান দর্শন

উপন্যাসের নাম ‘মুসলমানমঙ্গল’, লেখক জাকির তালুকদার। আগ্রহী হইলাম নাম শুইনা। জাকির তালুকদারের আলাপ-সালাপ কিছু শোনা আছে, লেখাপত্রও পড়ছি কিছু। তাছাড়া ‘মুসলমানমঙ্গল’ নামটা উপন্যাসের নাম হিসেবে দারুণ পছন্দ হইছে। বার কয়েক কেনার চেষ্টা কইরাও পারলাম না। গত বই মেলা থাইকা কিনলাম। পড়তে শুরু করলাম এবং প্রচণ্ড রকম বিরক্ত হইতে থাকলাম। প্রথমত গ্রন্থখানাকে উপন্যাস বলিবার কোন সুযোগ আমি পাইলাম না। শুরুতেই যখন পড়তেছিলাম, ইউসুফ যে কিনা ‘মুসলমানমঙ্গলে’র প্রধান চরিত্র সে যখন তার বোনের বাড়ি যাইতেছিল সেই বর্ণনাটুকু পড়তে ভাল্লাগতেছিল। পড়তে থাকুন জাকির তালুকদারের মুসলমান দর্শন