স্বপ্ন

মাহবুব মোর্শেদ ছবির মতো সাজানো কোনো এক দেশে আমার একটা বাড়ী আছে। মাঝে মাঝে আমি সেখানে যাই। গোপনে দরজা খুলি, ঘরের ভেতর বসে থাকি। চা খাই। বারান্দায় বসে দেখি পাহাড়ের ওপর সাজানো গোছানো মেঘ। একই বর্ণের ফুল পড়ে থাকে রাস্তায়। একই রঙ্গের পাতা। ওরা কী একটা বিদেশী ভাষায় কথা বলে। খুব শীতের দেশ। আমি যখন যাই তখন সেখানে ভোর। অগণন বিদেশী পাখীর ডাকে ওঠে নতুন … পড়তে থাকুন স্বপ্ন

ইমরুল হাসানের রাঙ্গামাটি

বই কবিতার, কিন্তু বইয়ে লেখা হইছে ‘একটি ভ্রমণ কাহিনি’। এই আত্মগোপনটা বইয়ের জন্য ভাল হইছে। যেন ডাক্তারের ছদ্মবেশে খুনি। এখানে অবশ্য মুসাফিরের ছদ্মবেশ নিছে কবি। কবিতা নিজেরে কবিতার বাইরের কোনো কিছু দিয়া চিনাইতে চাইতেছে, এর মধ্যে যে পরিহাসটা আছে সেইটা ভাল লাগলো প্রথমেই। বইয়ে লেখক একটা ভূমিকা লিখছেন। মানস চৌধুরীর লেখা একটা প্রতিক্রিয়াও অনুষঙ্গ নামে ছাপা হইছে বইয়ের শেষে। পড়তে থাকুন ইমরুল হাসানের রাঙ্গামাটি

চেনা ও অচেনা চীন

চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের নানামাত্রা সত্ত্বেও চীন এখনও অচেনা। এত কাছে থেকেও কেন এত অচেনা হয়ে রইলো চীন, সে এক প্রশ্ন বটে। আমার মতে, চীন সম্পর্কে তথ্যবহুল বাংলা বইপত্রের অভাবই এর বড় কারণ। তবে বইপত্র লেখার জন্য লেখকদের যেতে হবে চীনে। ব্যবসায়ীরা চীনে যান, রাজনীতিকরা যান, লেখকরা যান না। কেন যান না সে আরেক রহস্য। আর গেলেও কেন লেখেন না সেও একটা জটিল প্রশ্ন। কবি কবির হুমায়ূন চীনে গিয়ে আমাদের নগদ কিছু লাভ হলো। রহস্যের কিছু কিনারও হলো। চীন নিয়ে কবির হুমায়ূনের বই ‘৩৯ পূর্ব হোয়া হুথং’।
পড়তে থাকুন চেনা ও অচেনা চীন

গ্লোবালের আড়ালে লোকাল

শেষ পর্যন্ত মাহবুব মোর্শেদ যে আমাদের কোনও অন্তিম গোধূলি আলোর মুখোমুখি দাঁড় করান না, তাহার জন্য পাঠক হিসাবে তো কিছুটা প্রতারিত বোধ করিবারই কথা। কিন্তু সেটা ঘটে না, মুখ্যত লেখকের উপাদেয় লিখনভঙ্গিমা আর একাধিক বিশ্বাসযোগ্য চরিত্রের সফল উপস্থাপনার কারণে। সুনীল বা হুমায়ূনের রচনায় যে একধরনের সাবলীল সুখপাঠ্যতা থাকে, লেখক অনায়াসে সে-সাফল্য স্পর্শ করিয়াছেন। তিনি যদি শুধু এইটুকুই চাহিয়া থাকেন, তাহা হইলে অচিরেই বাংলাবাজারে আরও একজন বেস্ট সেলার লেখকের অভিষেক ঘটিতে চলিয়াছে, একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। পড়তে থাকুন গ্লোবালের আড়ালে লোকাল