পাপড়ি রহমানের উপন্যাস ‘বয়ন’ : জীবনশিল্পীদের ক্ষয়ে যাওয়া নকশা

‘বয়ন’ উপন্যাসে জীবনের ঘটনাবলি আছে ঠিকই। কিন্তু পাপড়ি রহমান সময়টারে বুঝতে দেন নাই তার উপন্যাসে। উপন্যাস পাঠে মনে হইতে পারে এর সময়কাল মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দশকের। তার মানে আশি বা মধ্য আশি-নব্বই। জনগোষ্ঠীরে নিয়া উপন্যাস লিখতে গেলে সময় একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ- এরা দেশীয় পরিস্থিতির বাইরে বিরাজ করে না। পাপড়ি রহমান এই বিষয়টা বোধহয় খেয়াল করেন নাই। কোন এলাকার বা পেশার মানুষের জীবন তার সমসময় দ্বারা প্রভাবিত হয়-ই। সমসময়ের রাজনীতি আর সংস্কৃতির আগ্রাসনে তারা বিপর্যস্ত হয়। বয়ন উপন্যাসে মুগরাকুল বা দীঘিবরাবো এলাকায় বেঁচে থাকা মানুষেরা একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়া পড়লেন। তারা আর বাইরে যান না বা বাইরের কেউ তাদের গ্রামে আসে না। পড়তে থাকুন পাপড়ি রহমানের উপন্যাস ‘বয়ন’ : জীবনশিল্পীদের ক্ষয়ে যাওয়া নকশা