ইমরুল হাসানের রাঙ্গামাটি

বই কবিতার, কিন্তু বইয়ে লেখা হইছে ‘একটি ভ্রমণ কাহিনি’। এই আত্মগোপনটা বইয়ের জন্য ভাল হইছে। যেন ডাক্তারের ছদ্মবেশে খুনি। এখানে অবশ্য মুসাফিরের ছদ্মবেশ নিছে কবি। কবিতা নিজেরে কবিতার বাইরের কোনো কিছু দিয়া চিনাইতে চাইতেছে, এর মধ্যে যে পরিহাসটা আছে সেইটা ভাল লাগলো প্রথমেই। বইয়ে লেখক একটা ভূমিকা লিখছেন। মানস চৌধুরীর লেখা একটা প্রতিক্রিয়াও অনুষঙ্গ নামে ছাপা হইছে বইয়ের শেষে। পড়তে থাকুন ইমরুল হাসানের রাঙ্গামাটি

অনেকদিন পর একটা ভালো বই পড়ছি

বলতেছিলাম তাঁর ভাষার কথা, লেখক বা তাঁর চরিত্র যেইভাবে চিন্তা করে, ভাষার গঠন তো সেইভাবেই আসে… তবে ইদানিং ভাষা নিয়া যে বির্তক শুরু হইছে, এইটা দিয়াই আসলে টের পাওয়া যায়, চিন্তার অসহায়ত্ব কোন পর্যায়ে গিয়া পৌঁছাইলে, মানুষ কী বলা হইছে, তার দিকে নজর না দিয়া কীভাবে বলা হইতেছে, তার ওপর গিয়া হুমড়ি খাইয়া পড়ে… এই বির্তক বর্তমান বাংলাভাষায় চিন্তার অসারতার একটা চলমান উদাহারণ। আর এই দেখনদারির বিষয়টা তো আসলে একদিনে ঘটে নাই, ক্রমান্বয়ে আসছে… কিভাবে উচ্চারণটাই মুখ্য হয়া উঠলো, আমি শুনলাম তুমি কীভাবে বললা, কী বললা সেইটা আর মুখ্য না, কারণ তোমার তো বলার কিছুই নাই, ওই উচ্চারণটাই শুধু… যেমন কবিতা-লেখার চাইতে কবিতা-আবৃত্তি অনেকবেশি পপুলারিটি পাইলো… পড়তে থাকুন অনেকদিন পর একটা ভালো বই পড়ছি