ম্যান বুকার ২০০৭ বিজয়ী অ্যান এনরাইট

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭

শেয়ার করুন: Facebook

এবারের বুকার পুরস্কার পেলেন অ্যান এনরাইট। গত বছর পুরস্কারটি পেয়েছিলেন ইনডিয়ায় জন্ম নেয়া লেখক কিরণ দেশাই। কিরণের আগে বেশ কয়েকজন ইনডিয়ান লেখক পুরস্কারটি পেয়েছেন। অনেকে পুরস্কার না পেলেও শর্ট লিস্টেড হয়েছেন। বাংলাদেশে জন্ম নেয়া লেখক মনিকা আলিও ২০০৩-এ ব্রিক লেন উপন্যাসটির জন্য শর্ট লিস্টেড হয়েছিলেন।
ইনডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের ইংরেজি ভাষী লেখকদের বুকার পুরস্কার প্রাপ্তি বা এর সঙ্গে তাদের নাম জড়িয়ে থাকার কারণে সম্প্রতি এখানকার দেশগুলোতে পুরস্কারটি অনেক বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে। পাঠকরা পুরস্কার ও এর আনুষঙ্গিক বিষয়ে খোজ-খবর নিতে শুরু করেছেন। এমনকি শর্ট লিস্টের আলোচনাও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ছেপেছে এ অঞ্চলের পত্রপত্রিকাগুলো। বলাবাহুল্য, এ ক্ষেত্রে ইনডিয়ান পত্রিকাগুলো বরাবরের মতোই এগিয়ে আছে। তবে পত্রিকাগুলো বেশি ব্যস্ত ছিল ইনডিয়ান লেখক ইন্দ্র সিনহাকে নিয়ে। তার অ্যানিমালস পিপল উপন্যাসটির বুকার জয়ের জোর সম্ভাবনা ছিল।
১৯৫০ সালে জন্ম নেয়া এ লেখকের পাশে ছিল আরেকটি নাম। লেখক একেবারে তরুণ। পাকিস্তানে জন্ম নেয়া লেখক মহসিন হামিদ। ১৯৭১ সালে লাহোরে জন্ম নেয়া এ তরুণের উপন্যাসটির নাম খুব কৌতূহলকর : দি রিলাকট্যান্ট ফান্ডামেন্টালিস্ট। ইন্দ্র সিনহা, মহসিন হামিদ ছাড়াও শর্ট লিস্টে ছিলেন নিকোলা বার্কার, লয়েড জোন্স, ইয়ান ম্যাকইউয়ান। পুরস্কার বিজয়ী অ্যান এনরাইট আইরিশ লেখক। ১৯৬২ সালে ডাবলিনে জন্ম নেয়া এ লেখক চতুর্থ উপন্যাস দি গ্যাদারিংয়ের জন্য বুকার পেলেন।
অ্যানের লেখা পত্রপত্রিকার আলোচিত হওয়া সত্ত্বেও আয়ারল্যান্ড ও বৃটেনে তিনি ততোটা পরিচিত মুখ নন। তার লেখাগুলো পারিবারিক সম্পর্ক, ভালোবাসা, যৌনতা, আয়ারল্যান্ডের বেদনার্ত অতীত ও বর্তমানের যুগ যাতনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
পুরস্কার পাওয়া উপন্যাসটির বিষয়ও এগুলো। ২৭২ পৃষ্ঠার উপন্যাসটির প্রকাশক জনাথন কেপ। প্রকাশিত হয়েছে এ বছরের মে মাসে। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডে ছড়ানো একটি পরিবারের তিন প্রজন্মের কাহিনী নিয়ে উপন্যাসের কাহিনী গড়ে উঠেছে। উপন্যাসের বর্ণনাকারী ৩৯ বছর বয়সী এক নারী, ভেরোনিকা।
অ্যান পড়ালেখা করেছেন ডাবলিন ও কানাডায়। ইউনিভার্সিটি অফ ইস্ট অ্যাঙ্গলিয়া থেকে তিনি ক্রিয়েটিভ রাইটিংসে মাস্টার্স করেছেন। ছয় বছর তনি ডাবলিনে টিভি প্রডিউসার হিসেবে কাজ করেছেন। এখন কাজ করেন আরটিইতে। লেখালেখি করেন লন্ডন রিভিউ অফ বুকস ও আইরিশ টাইমসে। বিয়ে করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক মার্টিন মার্ফিকে। তাদের দুই বাচ্চা, একটি চার অন্যটি সাত বছরের।
পুরস্কার পাওয়ার পর তিনি কথা বলেছেন লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকার সঙ্গে। সেটি যায়যায়দিনের পাঠকের জন্য অনুবাদ করা হলো।

# অ্যান এনরাইটের ইন্টারভিউ #
পুরস্কার পাওয়ার পর প্রথম ইন্টারভিউ দেয়ার সময় অ্যানের চোখে ছিল এক ধরনের উজ্জ্বলতা। তিনি বললেন, ‘আমার স্বামী রীতিমতো বাজি ধরে বসেছিল। ১৫ ইরোর বাজি। সে সত্যি বিরাট জয় পেয়ে গেল। আমার আরেক লন্ডনের বন্ধু শর্ট লিস্টের বাকি সবার নামে বাজি ধরলেও আমার নামে ধরেনি। তার ধারণা আমার নামে বাজি ধরলে সেটা আমার জন্য অমঙ্গলজনক হবে।’ শর্ট লিস্টের অন্য বইগুলো সম্পর্কে অ্যানের মত, ‘বইয়ের দোকানে গিয়ে আমি ওইগুলোর দিকে তাকিয়ে পর্যন্ত দেখিনি। শর্ট লিস্টেড হওয়ার পর আমি ভাবলাম, যাক ছয় সপ্তাহের জন্য মজাদার কিছু অন্তত পাওয়া গেল। ধপাস করে বসে পড়তে আর দুশ্চিন্তা করতে রাজি ছিলাম না আমি। মাত্র গতকাল আমি অন্যদের কথা ভেবেছি। তাদের ফোন দিয়েছি। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল যেন আমি একাই ওই লিস্টের মধ্যে ছিলাম।’
আমি তাকে বললাম, গ্যাদারিং পড়তে গিয়ে আমি বেশি দূর এগোতে পারিনি। এর বর্ণনা পদ্ধতি আমার হৃদয়কে প্লাবিত করেছে। হেগার্টি পরিবারের কয়েকটি জেনারেশন ডাবলিনে জড়ো হয়েছে লিয়ামের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠানে। সে এ পরিবারেরই সন্তান, পানিতে ডুবে আত্মহত্যা করেছে। তার সহোদর ভেরোনিকা এ মৃত্যুর কারণ খুজছে তাদের শৈশবের স্মৃতির মধ্যে। বোঝার চেষ্টা করছে সে সময়ের নিপীড়ন তার এ মৃত্যুর কারণ হতে পারে কি না। নিজের তিক্ত বিয়ের স্মৃতি তাকে দগ্ধ করছে। এর চেয়ে বরং ভাঙা গ্লাসে পাক খেতে খেতে শোপেনহাওয়ার পড়া অনেক ভালো।
এনরাইট বলেন, ‘জানি, জানি। আমার এক স্কুল ফ্রেন্ড বলেছে, আমার ধারণা এটা আমাকে পড়তে হবে। কিন্তু আমি ভয় পেয়ে যাচ্ছি।’ এনরাইট ফিকফিক করে হাসলেন। কিন্তু এ বিষয়ে একমত হলেন না যে, তার উপন্যাসটি গতানুগতিক আইরিশ উপন্যাসের ধারায় আরেকটি সংযোজন। ‘আপনি আইরিশ ফিকশনে এ রকম কিছু পাবেন না। উদাহরণ হিসেবে ফ্রাঙ্ক ম্যাককোর্টকে মনে পড়ে।’
সমালোচকরা দি গ্যাদারিংয়ের বিপুল প্রশংসা করেছেন এর বেপরোয়া বর্ণনা ও পারিবারিক ইতিহাসের বর্বর বিশ্লেষণের কারণে। এমনকি নিউ ইয়র্ক টাইমসের চিন্তাশীল ও ইতিবাচক রিভিউটিতেও বলা হয়েছে বইটার কোনো উপসংহার নেই। আমি এনরাইটকে বললাম, তারা নিশ্চয়ই আলাদা কিছু পেয়েছেন এর মধ্যে। কিন্তু আমার কাছে একে একটি ফানি বই মনে হয়েছে। এনরাইট বলেন, ‘এটা বলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’
বইটা যৌন আকাক্সক্ষার বিশ্লেষণের ক্ষেত্রেও ভীষণ জটিল। এ বিষয়ে এনরাইট বলেন, ‘আমি যে কাজগুলো করার চেষ্টা করেছি সেগুলোর মধ্যে একটি হলো : কামনা বিদ্বেষ কিভাবে একটির সঙ্গে অন্যটি দৃঢ়ভাবে সম্পর্কিত তা তদন্ত করে দেখা।’
তিনি এখন প্রডিউসার হিসেবে কাজ করেন আয়ারল্যান্ডের সরকারি টেলিভিশন আরটিইতে। পেশা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা খুবই মজার কাজ। বিশেষ করে স্যাটায়ার শো ও বাচ্চাদের জন্য অনুষ্ঠান বানানোর কাজ। কিন্তু এতে আমি এতোটাই কঠোর পরিশ্রম করছিলাম যে, আমি যা হতে চাই তা থেকে দূরত্ব তৈরি হলো। আমি তো লেখক হতে চেয়েছিলাম। ফলে, আমার মধ্যে হতাশা নেমে এলো। ওরা বললো, টিভিতে কাজ করা আর আর্মিতে কাজ করার পদ্ধতি এক রকম। আমার কাছেও তাই মনে হতো। কখনো কখনো এ কাজের জন্য নিজেকে পুরস্কৃত মনে করতাম আমি। কিন্তু এর মূল্য অনেক। ফল দাড়ালো এই যে, আমি প্রচুর পান করতে থাকলাম। জীবনে যা সবচেয়ে বেশি চেয়েছিলাম তার কিছুই করতে পারছিলাম না। মনে হলো আমি খাচাবদ্ধ হয়ে গেছি। কয়েক মাসের হতাশার পর একটাই প্রশ্ন ছিল আমার মনে, কিভাবে চাকরিটা ছাড়বো। ১৯৯৩ থেকে আমি ফুলটাইম লেখক। আমি ভীষণ আনন্দিত। এ পর্যন্ত হয়তো এ আনন্দ কেউই পায়নি।’
তার ছোট বাচ্চা নিয়ে কথা উঠলো। আশপাশে বাচ্চা নিয়ে লেখাটা কঠিন কি না এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, ‘এখন এটা অনেক সহজ। ওরা স্কুলে গেছে। কিন্তু কাজটা আমার জন্য কখনোই কঠিন ছিল না। আমার মনে পড়ে, এক হাতে দোলনা ঠেলতে ঠেলতে অন্য হাত দিয়ে টাইপ করছিলাম। অবাক হওয়ার মতো ব্যাপার হলেও এটাই সত্যি।’ তিনি বাচ্চা বড় করা নিয়ে একটি ননফিকশনেরও লেখক। বললেন ‘জীবন এখানে, অন্য প্রান্তেও একই রকম। শুধু কিছুটা ভালো ও কিছুটা কঠিন।’
এনরাইট বলেন, গ্যাদারিং কোনোভাবেই আত্মজৈবনিক নয়। কিন্তু বর্ণনাকারীর সঙ্গে এনরাইটের বয়সের মিল আছে। তিনি বলেন, এতে এনরাইটের জীবনের কিছু মুহূর্ত আছে। একটা ঘটনায় ভেরোনিকা ফোন করে বলে, সে বাড়ি ফিরে আসছে। তখন তার মেয়ে তাকে বলে, ‘আমি তোমাকে একটা শব্দ দিয়েছি। আর সেই শব্দটা হলো ভালোবাসা।’ এনরাইট গর্বের সঙ্গে বললেন, ‘সত্যি সত্যি আমার মেয়ে কথাটা আমাকে বলেছে।’ মেয়ের বয়স কতো? ‘তিন। লক্ষ্মীছানা!’

গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে কথা বলেছেন
স্টুয়ার্ট জেফ্রিস

ভূমিকা ও অনুবাদ : মাহবুব মোর্শেদ

প্রকাশ করা হয়েছে: অনুবাদ বিভাগে ।

<!––>

  • ২৯ টি মন্তব্য
  • ২৩৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫

comment by: মিজুহু বলেছেন: ৫
২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: থ্যাংকস।
৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯

comment by: মাহমুদ মামূন বলেছেন: ৫
৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫২

comment by: আনন্দময় বলেছেন: আপনার পোষ্ট থেকে অনেক কিছু জানতে পারি। আগের কয়েকটা পোষ্ট পড়া বাকি ছিল পড়লাম।মুচমুচে ,হাওয়াই মিঠাই।
আচ্ছা রাহেলাকে নিয়ে একটা কিছু আশা করছি আপনার কাছে।
৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মামূন,
থ্যাংকস।
আনন্দময়,
ধন্যবাদ।
সন্ধ্যা সিরিজ?
দেখা যাক, কী করা যায়।
৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০১

৭. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মাসুম ভাই,
ধন্যবাদ।
৮. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১২

comment by: মুকুল বলেছেন: *****
৯. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৩

comment by: নতুন পৃথিবী বলেছেন: The Synonym of Quality is মাহবুব মোর্শেদ!
৫!
১০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুকুল,
ধন্যবাদ।
১১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নতুন পৃথিবী,
এইটা অনেক বেশি হয়ে যায়।
মেনে নেয়া কঠিন।
১২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৪

১৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: থ্যাংকস, মেহরাব।
১৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৫

comment by: নতুন পৃথিবী বলেছেন: @ মাহবুব মোর্শেদ @
পৃথিবীতে অনেক কিছুই রয়েছে, যা মেনে নেয়া সত্যিই কঠিন!
আমার অনুরোধ রইলো, আপনার পোস্টগুলি আপনি একজন লেখক নয়, বরং পাঠক হিসেবে পড়ে দেখবেন।
আশা করি এবং আমার বিশ্বাস, তখন আমার কমেন্ট অনেক বেশি মনে হবে না এবং মেনে নেয়াটাও অনেক সহজ হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ।
১৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭

comment by: নতুন পৃথিবী বলেছেন: @ মাহবুব মোর্শেদ @
পুনশ্চ: আপনার বিনয়বোধ প্রবল। আপনার সুন্দর লেখার মতো আপনার সুন্দর ব্যক্তিত্ব অনেকখানিই এতে প্রমাণিত হলো।
১৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২

comment by: সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন: আপনার লেখা অনেক আগে থেকেই যাযাদি’তে পড়ি।
খুব ভালো লাগে।
আজই আমি প্রথম ব্লগিং শুরু করলাম।
ভালো লাগছে আপনাকে এখানে পেয়ে,সেই সাথে আপনার লেখাগুলোকে পেয়েও….
১৭. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২

comment by: সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন: আপনার লেখা আগে থেকেই যাযাদি’তে পড়ি।
খুব ভালো লাগে।
আজই আমি প্রথম ব্লগিং শুরু করলাম।
ভালো লাগছে আপনাকে এখানে পেয়ে,সেই সাথে আপনার লেখাগুলোকে পেয়েও….
১৮. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নতুন পৃথিবী,
নিজের লেখা পড়ে দেখার প্রস্তাব!
উত্তম। আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে একটু কষ্টই হচ্ছে।
১৯. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সাতিয়া মুনতাহা নিশা,
থ্যাংকস। এখানে আপনার আসা স্বার্থক হোক।
এখানে অনেক খারাপ ব্যাপার আছে। কিন্তু ভালো ব্যাপার তার চেয়ে অনেক বেশি।
২০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০০

comment by: নতুন পৃথিবী বলেছেন: @ মাহবুব মোর্শেদ @
ধন্যবাদ পাওয়ার প্রতি বিশেষ কোন দুর্বলতা আমার নেই। আমি শুধু একজন যোগ্য লেখককে আমার দৃষ্টিতে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে চেয়েছি!

আপনি যদি আপনার অসাধারণ মেধা ও নিজের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত থাকেন (আশা করছি এবং আমার বিশ্বাস, অবশ্যই তা আছেন), তাহলে আমার এই কমেন্টটি বলতে গেলে অনেকাংশে অর্থহীন।

আমি যেহেতু থট-রিডার নই, তাই আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে আমার প্রতি আপনার শেষ কমেন্টিতে আপনার কী অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে, তা বুঝতে পারছি না।

আমার কোন ব্ক্তব্য আপনার মনকে আঘাত দিয়ে থাকলে আমি যেমন বিনীতভাবে লজ্জিত, তেমনি ক্ষমাপ্রার্থীও।

ধন্যবাদ।

২১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৪

comment by: ডক্তর অব ছাকন্দাইটিস বলেছেন: ইস পরস্পরের পিঠ চুলকানি ভালাই হইতাসে
২২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৮

comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: ডক্তর,পিঠ যখন আসে,চুলকাইবোই,তোমরাও তো দল কইরা চুলকাও,অন্যে চুলকাইলে এত লাগে কেন? অসুস্থ মানসিকতা বদলাও।
২৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৯

comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আর মাহবুব মোরশেদকে ১টা ৫।
২৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:১৭

comment by: ডক্তর অব ছাকন্দাইটিস বলেছেন: ফারহান দাউদ খুবই ম্যাচিওরড কথা কইসো। তোমরা আসো বইলা ব্লগটা আচে
২৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৩৩

comment by: সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন: ভালোটাকে নিয়েই চলতে চাই…সেটাকেই মনে রাখতে চাই….
২৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:২১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নতুন পৃথিবী,
ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া বা দুঃখিত হওয়ার দরকার নাই।
এরকম কিছু ঘটে নাই। ব্লগে অ্যাপ্রিসিয়েশনের ভাষা বলতে ৫। ফলে আপনার কথাগুলো নতুন তো বটেই। কী বলেন?
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ডক্তর,
আপনি যেভাবে ডক্তর/ডাক্তার/ডক্টর শব্দ দিয়ে অসংখ্য নিক নিয়েছেন তাতে খুব শীঘ্রই আর কোনো শব্দ খুঁজে পাবেন না, আশঙ্কা হয়। এই নামে আপনাকে তখন ভীষণ মিস করবো।
ফারহান দাউদ,
ধন্যবাদ।
সাতিয়া মুনতাহা নিশা,
সেটাই ভাল।
২৭. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩

comment by: নতুন পৃথিবী বলেছেন: @ মাহবুব মোর্শেদ @
ব্লগে একই পোস্টে একটি নিক থেকে দু’বার রেটিং দেয়ার বিধান নেই। যদি থাকতো এখন নি:সন্দেহে আরেকটি শুধু ৫ পেতেন!
ধন্যবাদ।
২৮. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৫

comment by: জুবেরী বলেছেন: জানলাম । ভালো
ভবিষ্যতে আরো চাই …
তবে অনুবাদ ও বিশ্লেষনমূলক সাথে সাথে
সৃজনশীল লেখা বেশি চাই ।।।।।
২৯. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: জুবেরী,
ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s