ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উদ্যোগ (ঢাকা ঘোষণা) বিষয়ে যা যা জানা গেল

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৫

শেয়ার করুন: Facebook

২ থেকে ৬ নভেম্বর ঢাকায় ভারত-বাংলাদেশ গ্রন্থ ও গ্রন্থকার উৎসব হয়ে গেল। এ উৎসবে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় গোস্বামী সহ ভারতের শতাধিক (সংখ্যা বিষয়ে কনফিউশন আছে) লেখক প্রকাশক সম্পাদক কবি শিক্ষাবিদ, অনুবাদক যোগদান করেছেন। বাংলাদেশের জ্ঞান ও সৃজনশীল পুস্তক প্রকাশনা পরিষদ নামে প্রকাশকদের একটি সংগঠন এতে যোগ দিয়েছিল।
ভারতের তরফ থেকে যারা এই উৎসবে যারা যোগ দিয়েছেন তাদের মধ্যে সুনীল ও জয় ছাড়া আর কাউকেই তেমন করে বাংলাদেশের মিডিয়ায় উপস্থিত হতে দেখা যায় নি। হতে পারে, তাদের বিষয়ে মিডিয়ার আগ্রহ কম ছিল। সুনীল ও জয়ের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ব্যাপাক বলাই বাহুল্য।
একটি বেসরকারি গ্রন্থ ও গ্রন্থকার উৎসবে এত সংখ্যক লেখক-বুদ্ধিজীবীর উপস্থিতি সত্যিই প্রশ্নের উদ্রেক করে। দেশে ফেব্রুয়ারি মাস নয় এখন। নিদেন পক্ষে ঢাকা বই মেলাও চলছে না। এই উৎসবের আয়োজনে জাতীয় গ্রন্থাগার অধিদফতরও ছিল না, আমার জানা মতে। প্রশ্ন হলো, তাহলে কারা এর আয়োজক? যতদূর জানা গেছে এ উৎসবে অংশগ্রহণকারী প্রকাশকদের স্টলের জন্য কোনো ফি পর্যন্ত দিতে হয়নি। আবার এই উৎসবটি কোনো কর্পোরেট কোম্পানি স্পন্সরও করেনি। তাহলে কিভাবে ফি ছাড়া প্রকাশকরা এতে অংশ নিতে পারলেন?
প্রশ্ন আরও আছে, বাংলাদেশ ও ভারতের গ্রন্থ ও গ্রন্থকার উৎসবের মতো একটি ব্ড় উৎসব হয়ে গেল যেখানে সুনীল, জয়, নবনীতার মতো লেখক এলেন সেখানে আমাদের জনপ্রিয় ও বিদগ্ধ লেখকরা অনুপস্থিত কেন? কেন হুমায়ূন আহমেদ, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ইমদাদুল হক মিলন, আনিসুল হকরা এই উৎসবে যোগ দিলেন না?
অসংখ্য প্রশ্নের পরও যুক্ত হয়েছে আরও একটি প্রশ্ন : সেই প্রশ্নে উৎস সেই ঢাকা ঘোষণা। সাধারণত এই ধরনের গালভরা ঘোষণা দেয়া হয় দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা চুক্তিকে বা ঐক্যমতকে। কিন্তু জনগণের অলক্ষে করা একটি সমঝোতাকে কিভাবে ঢাকা ঘোষণা বলে চিহ্নিত করা হয়?
তথাকথিত এই ঢাকা ঘোষণায় বলা হয়েছে :
ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উদ্যোগ-এর আওতায় ২-৬ নভেম্বর, ২০০৭ ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ভারত-বাংলাদেশ গ্রন্থ ও গ্রন্থকার উৎসব’ এ যোগদানকারী লেখক, কবি, শিক্ষাবিদ, অনুবাদক, সম্পাদক ও প্রকাশক বৃন্দ বিগত পাঁচ দিনে বিশটি পৃথক অধিবেশনে মিলিত হয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সর্বসম্মতভাবে ঢাকা ঘোষণায় উপনীত হন এবং দুই প্রতিবেশী দেশের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও মৈত্রী জোরদারকরণে গৃহীতব্য পদক্ষেপের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো ঘোষণায় চুম্বকাকারে নিম্নোক্তভাবে প্রতিফলিত হয়েছে:
১. ভারত ও বাংলাদেমের মধ্যে বই ও প্রকাশনার সুষম প্রবাহ অর্জনে কাজ করবার লক্ষে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে;
২. উভয় পক্ষ সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা ও বর্তমান সময়ে তার ধারাবহিকতা বজায় রাখা এবং প্রকাশনা জগতে নারী পুরুষ সমতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করবে;
৩. অভিন্ন এই প্লাটফর্ম থেকে ভারত-বাংলাদেশের রচনা সমন্বয়ে বছরে অন্তত একটি প্রকাশনা বের করা হবে;
৪. অংশগ্রহণকারী সদস্যরা বছরে অন্তত একটি গ্রন্থ ভারত-বাংলাদেশের লেখকদের সমন্বয়ে প্রকাশ করতে সচেষ্ট হবেন;
৫. অংশগ্রহণকারী সদস্যগণ ভারতে অথবা বাংলাদেশে বছরে অন্তত একবার মিলিত হবেন।
অদ্য ৬ নভেম্বর ২০০৭ ঢাকা ঘোষণায় নিম্নোক্ত অংশগ্রহণকারীগণ স্বাক্ষরদান করেন :

(আমি যে কাগজটি সংগ্রহ করেছি তাতে কারও স্বাক্ষর বা কোনো প্রতিষ্ঠানের লোগো নেই।)

এখন প্রশ্ন হলো :
এত সুন্দর সুন্দর প্রস্তাবঅলা একটি ঘোষণা কেন লোকজনের জানা বোঝার বাইরে করা হলো? কেন এটি মিডিয়ায় এলো না?

বই শুধু সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ব্যাপার নয়। এটা ব্যবসায়িক পণ্যও। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে দুই দেশের সরকারের অনুমোদন ছাড়া শুধু লেখক প্রকাশকরা সম্মত হয়ে এ ধরনের চুক্তি করতে পারেন কি না?

যে প্রকাশক ও লেখকরা এই প্রস্তাবগুলোতে সম্মত হয়েছেন তারা এখানকার লেখকদের প্রতিনিধিত্ব করেন কি না বা যে প্রকাশকরা চুক্তি করেছেন তারা এখানকার প্রকাশকদের বৈধ প্রতিনিধি কি না?

সমঝোতার একটি ধারায় বলা হয়েছে, অংশগ্রহণকারীরা নিয়মিত সভায় মিলিত হবেন। অর্থাৎ তাদের একটি সাংগঠনিক কাঠামো থাকবে। একটি সংগঠন থাকবে। প্রশ্ন হলো সেই সংগঠনের নাম কী?
এই আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের আড়ালে আরও কিছু নেই তো?

সবশেষে একটি আশঙ্কার কথা, ২০০৪ সালে ভারতের আনন্দবাজার প্রকাশনী বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিল। তখন আহমদ ছফার নেতৃত্বে পরিচালিত একটি আন্দোলনের মুখে দেশীয় প্রকাশনা রক্ষার স্বার্থে আনন্দ বাজারের বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকানো হয়। এই প্রশ্নবিদ্ধ সমঝোতা বা তথাকথিত ঢাকা ঘোষণার আড়ালে সেরকম কোনো নতুন উদ্যোগ আছে কি না এ নিয়ে নুতন সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

প্রকাশ করা হয়েছে: চটজলদি বিভাগে ।

<!––>

  • ২৫ টি মন্তব্য
  • ২৭৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪১

comment by: প্রচেত্য বলেছেন: চিন্তার উদ্রেক করে
সন্দেহ দানা বাঁধে
২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৪

comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: ঘটনাটা তো ভাল। সবকিছুতে কন্সপিরেসী খোঁজা কি ঠিক?
সুনীলকে তো মিডিয়ায় দেখলাম। রীতিমত মার্গারেটকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন, অনেক লোক ছিল।
বাংলাদেশী পৃষ্ঠপোষকও ছিল আশা করি। হয়ত তারা কেউ মিডিয়ার নজর কাড়তে সক্ষম হয়নি।
৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: প্রচেত্য,
কিন্তু কেউ কিছু জানে না। আগের পোস্টটা কখন দিয়েছি!
৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নাজিম উদদীন,
কন্সপিরেসি দেখলেন কোথায়?
আপনি বলছেন কন্সপিরেসি করা যাবে কিন্তু খোঁজা যাবে না, তাই তো?
মার্গারেটকে নিয়ে স্মৃতিচারণে তো বাধা দেই নি। বিষয় হলো, মার্গারেটের কথা আমরা শুনতে রাজি কিন্তু তার আগে এই ঢাকা ঘোষণা নিয়ে শুনতে চাই।
সুনীলকে আমিও দেখেছি।
৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৪

comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে ইন্দো-বাংলা বইমেলা উদ্বোধনের পর শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে লেখক হয়ে ওঠার গল্প করলেন পার-ওপার বাংলার জনপ্রিয় কবি ও ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন গবেষক ও প্রাবন্ধিক হায়াত মামুদ, দিল্লির মঞ্চাভিনেত্রী আবেরী চৈ ও অনুবাদক অরুণা চক্রবর্তী, বেলাল চৌধুরী এবং ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাকী চক্রবর্তীসহ আরও অনেকে। বইমেলা উদ্বোধনের পর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। মেলায় পার্ল প্রকাশনী. বিদ্যা প্রকাশনী, সময় প্রকাশন, অনন্যা, মাওলা ব্রাদার্স এবং অনুপম প্রকাশনীসহ ১৮টি প্রকাশনী অংশ নিয়েছে। বাংলা বাজার রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন এ মেলার আয়োজক। সমন্বয়কারীর দায়িত্বে রয়েছেন বিদ্যা প্রকাশনীর প্রকাশক মজিবর রহমান খোকা। ৬ নভেম্বর পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা এ মেলা চলবে।

সূত্র : আমাদের সময়।

৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: দরকারি তথ্য। থ্যাংকস নাজিম উদদীন।
কিন্তু এ থেকে কী বুঝা যায়?
৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০০

comment by: মৃদুল মাহবুব বলেছেন: চোখ কান খোলা রাখুন সবাই। উদ্দেশ্য ছাড়া এরা এদেশে এসেছে, তা মনে হয় না। বাংলাদেশের সাথে বড় বড় চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার আগে এরা ঘন ঘন এখানে আসে।
৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ঢাকা ঘোষণার তাৎপর্য কি এইখান থেকে ক্লিয়ার হয়?
৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মৃদুল,
মত দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
১০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৪

comment by: হাসিব বলেছেন: কবিসভায় দেখলাম কোন রিপ্লাই নাই । পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদকরাও কি কোন দাওয়াত টাওয়াত পান নাই ?
১১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: হাসিব,
নাজিম উদদীন যে লিস্ট দিয়েছেন তাতে তো বুঝতেই পারছেন বাংলাদেশের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লেখক কবি সেখানে ছিলেন না।
ঘটনাটা কী, আগে পরে কী, কী ঘটলো কেউ জানে না। আমি আর মাদল হাসান বহু কষ্টে কিছু কিছু জানলাম।
১২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৫

comment by: প্রচেত্য বলেছেন: আমি আপনার আগের পোষ্টটি পড়েছি ঠিকই এবং বিষয়টি জানতাম টেলিভিষনের মাধ্যমে, আইতে কি এনটিভিত নিউজটি দেখিয়েছিল, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছিলাম, মনে করেছিলাম কমেন্ট করব কিন্তু আর করা হয়নি
১৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৮

comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: মাহবুব ভাই আমাদের দেশে সুনীল সমরেশরা খুবই জনপ্রিয়।আমি অনেক লোককে জানি যারা মনে করেন ভালো উপন্যাস মানেই কলকাতার নামী দামি লেখকদের উপন্যাস।
১৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৭

comment by: সিঁদুরে মেঘ বলেছেন: সত্যি যদি হত ………
(১,২,৩,৪,৫)
ভালো লাগছে।
১৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫১

comment by: মাঠশালা বলেছেন: মাহবুব ভাই,
খিয়াল কইরা কিন্তুক।
আমি যতুদুর জানি, লুবনা মরিয়ম এই আয়োজনের অন্যতম ভূমিকায় ছিলেন।
আর কারা কারা ছিলেন জানি না তবে এদেশীয় লেখক-প্রকাশকদের উপস্থিতির বা অংশগ্রহনের গুরুত্ব আয়োজক এবং মিডিয়া উভয়েই খাটো করে দেখেছেন মনে হয়। পড়ে আরো কথা আছে; এখন দৌড়ের উপর।৫
১৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: প্রচেত্য,
বিশেষভাবে যে কথাটি জানতে চাই টিভিতে কি ঢাকা ঘোষণা বিষয়ে কিছু বলেছিল?
১৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আলী আরাফাত শান্ত,
কেউ যদি মনে করে উপন্যাস মানে পশ্চিমবঙ্গের লেখকদের উপন্যাস আর সেটা যদি তার ব্যক্তিগত পাঠরুচির বিষয় হয় তাহলে আমাদের করার কী আছে। কিন্তু সেটা যদি পাবলিক কোনো ব্যাপার হয়। ব্যক্তিগত সাহিত্য রুচি যদি কেউ পাবলিকলি সবার ওপর চাপাতে চান তখনই সমস্যা।
সিঁদুরে মেঘ,
ধন্যবাদ।
জুবেরী,
খিয়াল করতেই আছি। আপনার তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। বাকী কথা শোনার অপেক্ষায় থাকলাম।
১৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৩

comment by: প্রচেত্য বলেছেন: না, সে বিষয়ে কিছু বলেনি, শুধু এতটুকুনই দুই বাংলার কবিদের সম্মেলন হচ্ছে, তার কিছু ভিডিও, নিউজের মাঝে ফিচার, আর কতইবা সময়ের বুঝতে পারছেন
স্পেসিফিক, ঢাকা ঘোষণা বিষয়ে কিছু বলতে শুনিনি
হাইড করল না তো ! বিষয়টি অষ্পষ্ট
১৯. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: প্রচেত্য,
হাইডই করেছে। আর এ জন্যই তো আমরা জানতে চাচ্ছি।
২০. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮

comment by: প্রচেত্য বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনাকে বিষয়কে সামনে আনার জন্য, তা না হলে বিষয়টি সম্পর্কে জানাই হতনা
২১. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৫

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: থ্যাংকস, প্রচেত্য।
২২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৭

comment by: জুবেরী বলেছেন: ঘটনা কি সত্যই গুরুত্বর ???
কি জানি বাপু ।।।।।।
২৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ঘটনা গুরুতর কি না সেইটা বুঝতে গিয়াই তো এত কিছু। @ জুবেরী।
২৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩

comment by: ‘ভিমরু’ বলেছেন: আমি যা বুঝলাম: বাংলাদেশ বিষয়ে ভারতের আগ্রহ আগের চাইতে অনেক বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে! “র” এর একটিভিটিস ও তাই এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে…
২৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভিমরু,
বই বিক্রি আর বাজার দখলের জন্য যা দরকার তাতে গোয়েন্দা সংস্থাকে ভূমিকা রাখতে হবে এটা ভাবা একটু কঠিনই বটে।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s