ঐতিহাসিক ঢাকা ঘোষণা বিষয়ে অন্তরা দেব সেনের লেখা

১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৯

শেয়ার করুন: Facebook

৯ নভেম্বরের সিফি ডট কমে
অন্তরা দেব সেন ভারত বাংলাদেশের লেখকদের মধ্যে সম্পাদিত ঢাকা ঘোষণা নিয়ে একটি কলাম লিখেছেন। পড়ে দেখেন। ঢাকা ঘোষণা নিয়ে ঢাকার লোকেরা কিছু না জানলেও কত কিছু হয়ে যাচ্ছে। ব্লগের অবচেতন পাঠকদের জন্য অনুবাদ করলাম।

পেছনের উঠানে দাঁড়ানো হাতি # অন্তরা দেব সেন
মনে হচ্ছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চুরি যাওয়া নোবেল পুরস্কারের মেডাল উদ্ধার নিয়ে কিছু ভাল খবর আছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এক শিল্পকর্ম বিক্রয়ের দোকান মালিককে গ্রেফতার করেছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, যে চক্রটি ২০০৪ সালে শান্তি নিকেতনের রবীন্দ্রভবন মিউজিয়াম থেকে মেডালটি চুরি করেছে তাদের সঙ্গে এই ব্যক্তির যোগাযোগ আছে।
সাড়ে তিন বছরের অনুসন্ধান কাজ শেষে আমাদের অনুসন্ধানী দল হাল ছেড়ে দিয়েছে। এক মাস আগে সেন্ট্রাল বুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) তদন্ত কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, যা শান্তি নিকেতনের বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ, ঠাকুরের ভক্ত ও সর্বত্র ছড়ানো ভারতীয় ঐতিহ্য প্রেমিকদের আশাহত করার জন্য যথেষ্ট। এখন বাংলাদেশের এলিট সিকিউরিটি ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন, যাদের সম্পর্কে আজ পর্যন্ত কোনো প্রশংসা করার মতো খবর শোনা যায়নি, তারা চুরি যাওয়া নোবেল মেডাল বিষয়ে আমাদের সযত্ন আশাকে আবার জাগিয়ে তুলছে।
ঠাকুরই প্রথম ভারতীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। (রোনাল্ড রস ও রুডিয়ার্ড কিপলিং-এর কথা বাদ দিলে। তারা মূলত ব্রিটিশ ছিলেন।) তিনি ছিলেন এই পুরস্কার পাওয়া প্রথম অপশ্চিমা লেখক।
এই গ্রেফতারটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার অংশীদারিত্বমূলক সাহিত্যিক ঐতিহ্যের আন্তরিক বন্ধনকে নবায়ন করলো। আমাদের কাছে যেমন তেমনি ঠাকুর ও অবিভক্ত বাংলা ও দেশ ভাগের আগের শ্রদ্ধেয় লেখকদের উত্তরাধিকার বাংলাদেশেও অনুসৃত হয়। এমনকি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতও ঠাকুরের লেখা। স্বাভাবিকভাবে নোবেল মেডাল উদ্ধারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক দায় আছে।
৬ নভেম্বর ঢাকার নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর দ্বারা ইন্দো-বাংলা সাহিত্যিক বন্ধন দৃঢ় করার অসম্ভাবনীয় পদক্ষেপের বাইরে শহরের অন্যত্র দুই দেশের লেখকদের প্রত্যক্ষ বন্ধনও দৃঢ় হচ্ছিল। এটা ছিল পাঁচ দিনের ভারত বাংলাদেশ উৎসবের শেষ দিন। ভারত ও বাংলাদেশ থেকে শত শত সাহিত্য প্রেমিক, লেখক, প্রকাশক, অনুবাদক, শিক্ষাবিদ দুই প্রতিবেশীর (যারা শুধু ভাষা নয়, অন্য অনেক কিছু অংশীদারিত্বের বন্ধনে আবদ্ধ) মধ্যে উন্নততর সাংস্কৃতিক যোগাযোগ কৌশল নিয়ে আলোচনার জন্য জড়ো হয়েছিলেন। আর এর চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটেছে ঢাকা ঘোষণা স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে, যাতে দুই দেশের সাহিত্যিক বন্ধনকে উন্নততর করার লক্ষে কাজ করা অঙ্গীকার করা হয়েছে। এতে যুক্ত করা হয়েছে আরও বেশি সাংস্কৃতিক সংলাপ আয়োজন ও বই ও প্রকাশনা বিনিময়ের আরও ভাল ব্যবস্থা করার কথাও।
এই উৎসবে যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বিস্মিত করেছে বাংলা সাহিত্যের প্রতি প্রভূত ভালোবাসা যা জাতীয় ও ধর্মীয় সীমান্তকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। এটা এক কাল্পনিক মাতৃভূমি যা গল্প, কবিতা ও নাটকের সম্মিলনে গড়ে উঠেছে। এই ভূমির মানুষজন তেরি হয়েছে কৃতীদের কলম ও সৃষ্টি থেকে। কিন্তু এটা আবার এমন এক রাজ্যও বটে যেখানে কেউ কেউ অন্যদের চেয়ে বেশি জানে। কারণ আমাদের অনেকে, বিশেষ করে ভারতীয় অনেকে এখনও বাতিল মানচিত্র নিয়ে চলাফেরা করছেন। আমার দরকার মানচিত্র কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে তা বোঝা, কোন প্রতিবেশী ঘর ছেড়েছে অথবা একদা পরিচিত পথের জায়গায় এখন কোথায় গিয়ে বাঁক নিয়েছে।
এর মূল কারণ হলো, দুই বাংলার গতিশীল সাহিত্যপটকে একত্র রাখার জন্য সাহিত্যিক আইডিয়া বিনিময়ের উদ্যোগ খুব শক্তিশালী নয়। ভারতের বাজারে বাংলাদেশী বই ও লেখকের তীব্র চাহিদা নেই যেমনটি কিছু ভারতীয় লেখকের আছে বাংলাদেশের বাজারে। আর যেহেতু চাহিদা অনুসারে যোগান নিশ্চিত হয়, সেহেতু ভারতের বাজারে বাংলাদেশের বাংলা সাহিত্য যথেষ্ট পাওয়া যায় না। এর পেছনে হয়তো তেমন কোনো সাহিত্যিক মূল্যমান নেই। বাংলাদেশে যথেষ্ট সংখ্যক চমৎকার লেখক আছেন : প্রয়াত শামসুর রাহমান অথবা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক মাস্টার সৈয়দ শামসুল হক বা সেলিনা হোসেন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বেস্ট। কিন্তু আমরা এখন বাজার ছাফাই ও হারানো মাতৃভাষার যুগে বাস করি যেখানে আমাদের পৃথিবী সংকীর্ণ, চকিত ও সহজবহনযোগ্য।
যাই হোক, আমি বুঝি বাংলাদেশের প্রকাশক, বিক্রেতা ও সাহিত্য প্রেমিকদের অভিযোগ শোনাটাই যথেষ্ট নয়, একা একা আক্ষেপ করা কোনো ফলদায়ক কৌশল নয়। কেউ যখন বোঝে ভারত হলো পেছনের উঠানে দাঁড়ানো হাতি তখন খুব স্বস্তিকর পরিস্থিতি থকে না। কিন্তু ভারত বাংলাদেশের চাইতে তুলনাহীনভাবেই অনেক বড় ও শক্তিশালী কারণ এটা পশ্চিম বঙ্গের চেয়ে অনেক বড় ও বিশাল। অংশীদারিত্বমূলক ভাষা ও সাহিত্য এবং কমন ইতিহাসের প্রলোভনে বাংলাদেশের সাহিত্যিক সম্প্রদায় হয়তো এটা ভুলে গেছে।
ভারতের ওপর প্রভাব ফেরতে গেলে শুধু কলকাতায় দেখানো ও পড়ানোই যথেষ্ট নয়। এমনকি ভারতের চমৎকার বাঙালি লেখকরাও তাদের ভাষা জনগোষ্ঠীর বাইরে প্রত্যাশিত সম্মান পান না। তারা নিজের ভাষার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ থাকেন, ওই দেয়ালের ভেতরেই পাঠকরা তাদের সিংহ মনে করে। কিন্তু দেয়ালের বাইরে তারা অচেনা।
অনুবাদের মাধ্যমে অধিক মাত্রায় ছড়িয়ে দেয়ার মধ্যেই আছে চাবিকাঠি। বাংলাদেশের লেখক ও প্রকাশকদের ইংরেজি ও অন্য ভারতীয় ভাষায় অনুবাদের সুযোগ পেতে হবে। ভারতীয় বাংলা ভাষী লেখক বা তাদের নিজেদের তসলিমা নাসরিনকে (তাকে একটু কম কম লেখক বলে মনে করা হয়) তাদের বেশি সুযোগের জন্য অনুকরণ করার দরকার নেই। আমাদের সেই সুযোগ তৈরি করতে হবে।
লিটল ম্যাগাজিনে অনেক বছর ধরে আমরা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রী লংকার পাশাপাশি বাংলাদেশী লেখাও অনুবাদ করছি। এগুলো দারুণভাবে গৃহীত হয়েছে। গ্লোবালাইজড পৃথিবীতে গোষ্ঠী পরিচয় আগের যে কোনো সময়ের চাইতে শক্তিশালী। দক্ষিণ এশিয়ার উৎকৃষ্ট লেখাগুলোর শোকেসিংয়ের মাধ্যমে আমরা দক্ষিণ এশীয় হিসেবে আমাদের আঞ্চলিক পরিচয়কে মংহত করতে পারি এবং একটি সফট পাওয়ার হিসেবে আবির্ভূত হতে পারি। বাঙালি হোক কি হিন্দি কি তামিল যত শক্তিশালীই হোক আমাদের মাতৃভাষা, আমরা সে ভাষায় নিজেদের আবদ্ধ করে রাখতে পারি না।
অবশ্যই অনুকরণ দরকারি। কিন্তু এটা শুধু প্রথম পদক্ষেপ। এরপর আমাদের আরও গঠনমূলকভাবে আরেকটি কাল্পনিক মাতৃভূমি তৈরির কাজে লেগে পড়তে হবে। সেটা হবে আরও বড় আরও আত্মস্থ এক যা শুধু জাতীয় ও ধর্মীয় সীমানাকেই শুধু ছাড়িয়ে যাবে না, ছাড়িয়ে যাবে ভাষার সীমানাকেও।
অন্তরা দেব সেন : লিটল ম্যাগাজিন পত্রিকার সম্পাদক
অনুবাদ : মাহবুব মোর্শেদ

প্রকাশ করা হয়েছে: অনুবাদ বিভাগে ।

<!––>

  • ২৭ টি মন্তব্য
  • ৩৯৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৪

comment by: মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ।
*****
২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ওকা=ওয়েলকাম।
৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৯

৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৩

৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৮

comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: আমি নিজেকে ‘ব্লগের অবচেতন পাঠক’ মনে করি না। কিন্তু তবু লেখাটা পড়তে হলো। অনুবাদ যথেষ্ট স্বচ্ছ হয় নি ধারণা হচ্ছে, কম্পোজ-বিভ্রাটও আছে, তবু অন্তরা দেব সেনের বক্তব্যটা অংশত ধরা গেল।

প্রকৃতপক্ষে কী আসলে হতে যাচ্ছে, তা এখনো আমার কাছে পুরোপুরি স্পষ্ট নয়, আপনার এ সংক্রান্ত আগের সবকটি ব্লগ এবং আরো ছিটেফোঁটা কিছু লেখা ফলো করেও। কিন্তু এটা বুঝতে পারি যে, যেটা হতে যাচ্ছে সেটা আমাদের জন্য খুব মঙ্গলকর কিছু নয়। এরকম আভাস অন্তরা দেব সেনের লেখা থেকেও বের করে নেয়া যায়। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, ‘ভারত বাংলাদেশের চাইতে তুলনাহীনভাবেই অনেক বড় ও শক্তিশালী কারণ এটা পশ্চিম বঙ্গের চেয়ে অনেক বড় ও বিশাল। অংশীদারিত্বমূলক ভাষা ও সাহিত্য এবং কমন ইতিহাসের প্রলোভনে বাংলাদেশের সাহিত্যিক সম্প্রদায় হয়তো এটা ভুলে গেছে।’ ইত্যাদি ইত্যাদি।

অনেক দিন থেকেই আমাদের উপর পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক আগ্রাসন চলছে। একেবারেই একপেশে বাণিজ্য করে যাচ্ছে ওরা, আমাদের দু’য়েকটা নাম ভুল বানানে (আহাম্মদ ছফা, শামছুর রহমান, আল মাহামুদ, এমনকি আনন্দবাজার গ্রুপের কাগজপত্রেও এরকম বানান পেয়েছি আমি) ওরা যদিও ব্যবহার করে মাঝে মাঝে। ওগুলো আসলে আমাদের ভোলাবার জন্য মাত্র। যাহোক, এই অসমতা ঘুচাবার জন্যেই হয়ত একদল প্রকাশক-লেখক এরকম একটা চুক্তির কথা ভেবেছেন। আশাটা সমতার, কিন্তু সে আশার গুড়ে যে বালি পড়তে পারে তা তো অন্তরা দেব সেনের লেখাটাও বলছে।

আগেরবার আনন্দবাজারের বিরুদ্ধে লড়াই চলার সময়, খুব আক্রমণাত্মক লেখাও ছেপেছিলাম শ্রাবণের আনন্দবাজারবিরোধী বুলেটিনে। ওই পর্যন্তই। এবার তো ধারণা করি কেবল আনন্দবাজারের একার শক্তি নিয়েই ওরা আসে নি, আরো শক্তির যুক্ততা আছে, ওখানকার এবং এখানকার। ফলে এবার লড়াইটা কার সঙ্গে কার হবে? পাছে ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধের মতো না হয়ে যায়!

কী করা যায় মাহবুব মোর্শেদ? একজন সক্রিয় লেখক হিসেবে আমার-আপনার এখন কী করা উচিত? কে শুনবেই বা আমাদের কথা? আসলে কী ভাবছেন এ বিষয়ে তা শেয়ার করলে ভালো হয়।

৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৯

comment by: অরুনাভ বলেছেন: ভাল লাগলো…..
৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৬

comment by: রিজভী বলেছেন: ৫
৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুজিব ভাই,
আনন্দবাজার বিরোধী আন্দোলনের নেতা হিসেবে আপনার যে বুঝতে কেন কষ্ট হচ্ছে সেটাই আমার বুঝতে কষ্ট হচ্ছে। যাই হোক, আপনার মতো বিদগ্ধ পাঠক যারা লেখার প্রঞ্জলতা ও বানান বিভ্রাট নিয়ে বেশি চিন্তিত তাদের জন্য লিঙ্ক দিয়েছি। লিঙ্ক পড়ে নিশ্চয়ই ব্যাপারটি বুঝতে পারছেন?
আমি তো বোঝানোর মেলা চেষ্টা করতেছি। এখন পর্যন্ত তেমন কারও মন এ দিকে টানা গেল না। কবিসভা ও ব্লগ মিলে কোনো বুদ্ধিজীবীর দেখা পাওয়া ভার হলো, যিনি আমাদের ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলতে পারেন। আপনে এখন বলেন। আমরা, অন্তত আমি আপনার ব্যাখ্যা ও করণীয় ব্যাপারে নির্দেশনা শুনতে আগ্রহী।
৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মৈথুনানন্দ,
ধন্যবাদ। আপনার দেয়া একট লিঙ্ক খুললো বটে, অন্য লিঙ্কটা খুললো না। চেষ্টা করে যাচ্ছি।
১০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অরুনাভ ও রিজভী,
ধন্যবাদ।
১১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুজিব ভাই,
আপাতত এইটুকু। ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ বিষয়ে কাল লিখবো।
১২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৩

comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন: ৫
১৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৩

comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: সুনীল কইলো এদেশে কলকাতার সব বই নাকি পাইরেটেড। এজন্য তাদের কোন লাভ হয়না।
১৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৬

comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: বাংলাদেশের পজিটিভ কিসু কইলো বইলা তো ঠিক মনে হইলো না,লিটল ম্যাগের সম্পাদিকা কেমন জানি নাকটা আকাশের দিকে তুলে রাখসে,ঘোরালো ব্যাপার-স্যাপার।
১৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৯

comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ, আমিও খুব ব্যস্ত মানুষ ভাই। আমারও আপাতত এই।

রাতের মধ্যে জটিল একটা (পেশাদার) অনুবাদের কাজ নামাতে হবে। আপনার পোস্টে কমেন্ট করার পর ছেলের একগাদা হোমওয়ার্ক করায় সহযোগিতা দিয়ে খেয়েদেয়ে একনজর দেখতে বসলাম যে ব্লগাররা কীভাবে রিঅ্যাক্ট করছেন এহেন জরুরি পোস্টটিতে, কিন্তু আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করলাম, ব্লগাররা ভালোলাগা মন্দলাগা এবং রেটিং করা নিয়েই বেশি ব্যস্ত। রিঅ্যাকশনটা এল আপনার কাছ থেকেই এবং অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আমার কমেন্টকে কেন্দ্র করে।

আপনি অযথাই ধরে নিয়েছেন যে আমি কমেন্টে আপনার বিরুদ্ধে বলেছি। কিন্তু কেন, তা একদমই মালুম হচ্ছে না। সে কি অনুবাদের অস্বচ্ছতার প্রশ্নে? এটুকু সমালোচনা না নেয়া গেলে চলবে! আর আমি কিন্তু বানান বিভ্রাট নিয়ে কথা বলিনি, বানান বিভ্রাট কমবেশি আমার কমেন্টে খুঁজলেও কেউ পেতে পারেন, বীথিলতা তো প্রায়ই আমার বানানে ভুল ধরেন। আমি বলেছিলাম, কম্পোজ-বিভ্রাটের কথা, দুটো ঠিক এক জিনিস নয়।

সরি, আমি আনন্দবাজারবিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলাম না, উৎসাহী কর্মী ছিলাম মাত্র। এখনো কর্মী হবার যোগ্যতাই আমি রাখি, নেতা হবার নয়।

আমি একেবারেই একজন ছাপোষা মানুষ। করেকর্মে খাই, দেশ-বিদেশের খবরাদি যা জানার, আপনাদের (সাংবাদিকদের) মাধ্যমেই জানি। অর্থাৎ যা আপনারা জানেন না, তা আমার পক্ষে জানা অসম্ভব। সে বিবেচনায় আক্ষরিকভাবেই আমি তথ্যের পাশাপাশি আপনার মতামতটাও জানতে চেয়েছি। কারণ মতামত গড়ে উঠতে হলে প্রাসঙ্গিক তথ্য লাগে, যা আপনার আছে।

আমার কমেন্টে কোনো কূটপ্রশ্ন ছিল না। অথচ পালটা আমার কাছেই জানতে চেয়ে আপনি কেন যে আমাকে দূরে ঠেলে দিলেন বা আমার কাছ থেকে আপনিই বা কেন দূরে সরে গেলেন তা বুঝতে পারছি না।

আমি ব্যাপারটা কীরকম বুঝি বা কীরকম করে চিন্তা করতে চাই, তার প্রিভিউ তো উপরের কমেন্টে থাকলোই, কেবল আপনার মতটাই জানা হলো না। লোকজনকে প্রভাবিত করতে চাইলে পরিষ্কারভাবে আপনার অবস্থানটা চিহ্নিত করতে হবে যে, আনন্দবাজার থেকে আপনার একটা গল্পের বইয়ের পাণ্ডুলিপি চেয়ে পাঠালে আপনি কী ভূমিকা নেবেন।

কাল আশা করি ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ প্রসঙ্গ ছাড়াও এই বিষয়টি নিয়ে আপনি কথা বলবেন। শুভ রাত।

১৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৯

comment by: শিশু বলেছেন: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এই বাংলাতেই সংরক্ষিত থাকবে। ওপার বাংলাকে সর্বভারতীয় হিন্দী সংস্কৃতি গ্রাস করবে, এটা পশ্চিম বাংলার নতুন প্রজন্মের উচ্চারণ ও শব্দ ব্যবহার দেখেই বোঝা যায়। প্রবাসী বাঙালীরাও অন্তত ছেলেমেয়েদের নতুন দেশে আত্মীকৃত হয়ে যেতে দেখবেন। অল্প কয়েকদিন আগে সুনীল এসেছিলেন ঢাকায়, বললেন: এখানে তাঁর বইয়ের পাইরেসী বেশী কষ্ট দেয় না, এখানে তাঁর এত ভক্ত আছে, এতেই তিনি খুশী। আজি হতে শত বর্ষ পরেও রবীন্দ্রনাথ পদ্মার এপারেই বেঁচে থাকবেন।
১৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২১

comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: আমার ব্রাউসারে দুটো লিঙ্কি খুলছে।
১৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০০

comment by: মেহেদী হাসান বলেছেন: ইন্টারনেট আমাদের কাল্পনিক মার্তৃভূমি অলরেডি তৈরি করেছে বলে আমার মনে হয়। সামহয়ারকে একটি শহর ভাবতে পারি। মাহবুব মোর্শেদকে ধন্যবাদ
১৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫

comment by: মাঠশালা বলেছেন: কোন ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বা ঘটনা জানা বোঝার জন্য লেখা পোস্ট করলেই সেই লেখক অথবা ব্লগারের নিজের অবস্থান অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায় মনে হয়। আর এই ব্লগে আরো আরো লেখক বুদ্ধিজীবি থাকা সত্বেও একমাত্র মাহবুব মোর্শেদেই সাম্প্রতিক এই ‘ঢাকা ঘোষনা’ নিয়ে প্রতিকৃয়া জানিয়েছেন। অন্য ব্লগার এবং মিডিয়া সেলিব্রেটি কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে নিজের সৎ অনুভব শেয়ার করেছেন। একারনে মা.মো’কে সাধুবাদ।
মুজিব মেহেদীর এই আলোচনায় অংশগ্রহন এবং সুচিন্তিত মতামত বিষয়টিকে তার গুরুত্বের জায়গায় তুলনামুলক এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করি।
অন্তরা দেব সেন এর লেখাটির কিছু কিছু বক্তব্যে আমার মনে হয়েছে, ওপার বাংলা থেকে যারা উৎসাহী হয়েছেন ‘ঢাকা ঘোষনা’ নিয়ে তাদের বিশেষ করে অন্তরা দেব সেনের বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব একটা ইতিবাচক মনোভাব নেই। সেন যখন লিখছেন,আমাদের জাতীয় সঙ্গীতটিও ঠাকুরের লেখা। এখানে ‘ও’ প্রত্যয়টি যোগ করে তিনি তিনি ঠিক কী মিন করেছেন? আর বাংলাভাষার সাংস্কৃতিক দায় বাংলাদেশের মানুষকেই মনে করিয়ে দিতে হবে?
তার ‘ভারতের বাজারে বাংলাদেশী বই ও লেখকের তীব্র চাহিদা নেই যেমনটি কিছু ভারতীয় লেখকের আছে বাংলাদেশের বাজারে’ এই বক্তব্যের পর কিভাবে দুই বাংলায় বইয়ের বাজারের সম্প্রসারন হবে। না ব্যাবসায়িক সার্থে না লেখকের নিজস্ব যোগাযোগের চাহিদার সার্থে। যেখানে আমার পাঠকই নেই সেখানে আমার বই পাওয়া যাওয়া না যাওয়ায় কি আসে যায়।’বাংলাদেশের প্রকাশক, বিক্রেতা ও সাহিত্য প্রেমিকদের অভিযোগ শোনার জন্য যখন ভিন্ন ভূগোলের কেউ আগ্রহ দেখায় এবং এগিয়ে আসে তখন বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে আমি হীনমন্যতায় ভুগি। ‘অংশীদারিত্বমূলক ভাষা ও সাহিত্য এবং কমন ইতিহাসের প্রলোভনে বাংলাদেশের সাহিত্যিক সম্প্রদায় হয়তো এটা ভুলে গেছে’ এখানে বাংলাদেশের সাহিত্যিক সম্প্রদায় না হয়ে যদি সম্মেলনটির আয়োজকদের কথা লেখা হতো তাহলেও মেনে নেয়া যেত। ঢালাও ভাবে বাংলাদেশের সাহিত্যিকদের সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্যকে অজ্ঞতা বলে মনে করার কারনও দেখি না। একে সচেতন অবজ্ঞা বলে মনে করি। আর আহম্মদ ছফা প্রমুখ সাহিত্যিকদের ভুমিকা এবং বক্তব্যও আমরা এখনও ভুলি নাই।

(আরো কথা বলা যেত কিন্তু এখন বলা যাচ্ছে না,বস ডাকছে)

২০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মৈথুনানন্দ,
শেষ পর্যন্ত আমিও দুটি লিঙ্কই খুলতে পেরেছি। অনেক ধন্যবাদ।
মুজিব ভাই,
আপনার অ্যাপ্রোচটা আমার কাছে ভাল ঠেকেনি বলেই প্রতিক্রিয়া ওরকম হয়েছে। আমার অনুবাদ যদি আপনার কাছে অস্বচ্ছ লাগে তো লিঙ্ক মজুদ আছে। এই অজুহাতে অন্তরার লেখা অংশত ধরার তো কিছু নাই। ইংরেজিটা পড়ে নিলেই চলতো। আপনি এ নিয়ে গুরুগিরি ফলাতে গেলেন কেন? বিকল্প থাকা সত্ত্বেও সত্ত্বেও এই মন্তব্য আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয় নাই।
পরন্তু, অন্তরার লেখাটার আর কেমন স্বচ্ছ অনুবাদ হতে পারতো এ নিয়ে আপনার ধারণা আমার বোধগম্য হয় নাই। আপনি যদি এই বিষয়ে শিক্ষকতার আসন গ্রহণ করেন তবে ব্লগেই আমার ছোটখাট অনুবাদ শিক্ষণ কোর্স সম্পাদিত হতে পারতো।
যাই হোক, নন ইস্যু নিয়া অধিক বাগবিস্তার হইতেছে। মূল ইস্যু রেখে নন ইস্যু নিয়া কথা বলার এই হলো এক বিপদ।
২১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: খুব মূল্যবান কিছু মতের জন্য আলী আরাফাত শান্ত, ফারহান দাউদ, শিশু, মেহেদী হাসান, মাঠশালাকে ধন্যবাদ। আমি এ বিষয়ে আপডেটেড আরেকটা লেখা তৈরির চেষ্টা করছি। আপনাদের পয়েন্টগুলো ধার নেয়ার অনুমতি চাই।
ভাস্কর চৌধুরী,
অনেক ধন্যবাদ।
২২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪০

comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: সমালোচনা গ্রহণ করতে না পারা যেকোনো লেখকের জন্যই অতিশয় লজ্জার। এই যোগ্যতাটা যতদিন একজন লেখক অর্জন করতে না পারলেন, ততদিন তাকে করুণা ছাড়া আর কিছুই জানাবার থাকে না।

মাহবুব মোর্শেদ, প্লিজ সাবালক আচরণ করুন, ইতোমধ্যে আপনি শৈশব ও কৈশোর অতিক্রম করেছেন।

যেসব বিষয়ে কথা হচ্ছিল এবং আপনার যে কমিটমেন্ট ছিল তার আশপাশ দিয়ে না গিয়ে বরং বাজেভাবে ইস্যু নন-ইস্যুর প্রশ্ন তুলে কি আপনি এটাই প্রমাণ করলেন যে পিছলে যাওয়ার বিদ্যায় আপনি গিনেস বুকে নাম ওঠাবার পর্যায়ে উত্তীর্ণ হয়ে গেছেন? আহা, বাংলার কী গৌরব!

এটা আপনার ব্লগে আমার শেষ কমেন্ট এবং শেষ ভিজিট।

জীবনে আপনার অজস্র পিঠ চাপড়ানি জুটুক। আনন্দবাজার শিগগির আপনার দিকে নেকনজর দিক। আমিন।

২৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুজিব ভাই,
আপনার এই মনোভাব আমাকে ভীষণ আনন্দ দিল।
আপনার সাবালকত্ব অমর হউক। আমার কথা আপনার পছন্দ না হইলে আপনি আমার ব্লগে আসবেন কেন?
কিন্তু ভাই, সত্যি বলছি ছোট খাট একটা অনুবাদ কোর্স করাতেন যদি তাহলে খুব উপকৃত হতাম।
নিদেন পক্ষে অস্বচ্ছ দু একটা লাইন যদি ধরিয়ে দিতেন! আহা।
বড়ই বঞ্চিত হলাম।
আপনি যে কিছুদিনের জন্য আপনার পদধূলি দিয়ে আমার ব্লগকে ধন্য করেছেন তাতেই আমি মুগ্ধ। নিজগুণে নাবালকের দোষ ক্ষমা করে দিয়েন। আপনার জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা।
২৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৪

comment by: জুবেরী বলেছেন: বাজার , সবই বাজারের খেল ।
বাকি সব বাকওয়াজ…
২৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪২

comment by: অরণ্য প্রভা বলেছেন: আপনার নতুন গল্প পড়তে চাই।
২৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৮

comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: মন্তব্য করবো বলে আমি মাহবুব মোর্শেদের এই জরুরি পোস্টটা পড়তে শুরু করেছিলাম। কিন্তু মন্তব্য-অংেশ প্রধান হয়ে দেখা দিল মুজিব মেহেদী ও মাহবুব মোর্শেদের বাদানুবাদ। খুব মন খারাপ হলো। আমি সামহোয়ারে রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম এই দুই নাম দেখে (যদিও অন্য অনেকের লেখাই এখন ভালো লাগে)। তাদের এখন ব্লগ(মুখ যেন না হয়)-দেখাদেখি বন্ধ হয়ে গেল। দুঃখজনক! মন্তব্য করতে আর ইচ্ছে করছে না।
২৭. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: জুবেরী,
সেটাই তো মূল। বাকী সব ভেলকী।
কীয়ের সংস্কৃতি আর কিয়ের প্রতিবেশী?
অরণ্য প্রভা,
বিডি নিউজে একটা লেখলাম তো। আরেকটা লেখবো?
ফাহমিদ ভাই,
খুবই দুঃখিত। আমি ছাপোষা মানুষ। নেহাত কেউ পায়ে পাড়া না দিলে আমি মোটামুটি গোবেচারা ভাব নিয়েই চলতে ভালোবাসি। দেখলেন তো, আপনার মন খারাপ হয়ে গেল। আমার মন খারাপ হলো। কিন্তু, মুজিব ভাই প্রমাণ করেই ছাড়বেন যে, অনুবাদটা অস্বচ্ছ হয়েছে। আরে ভাই, অস্বচ্ছ হয়েছে বলে আপনাকে অন্তরার লেখা অংশত বুঝতে হবে কেন। লিঙ্ক দেয়া আছে, মূলটা পড়ে নেন। কিন্তু, ওনার এক দাবি, এইটা মানতে হবে নইলে সাহিত্যিক হিসাবে আমার সাবালকত্ব প্রমাণ হচ্ছে না। বলি, ভাইটি এইখানে সাবালক আমার না হলেও হবে। বরং আমরা ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ নিয়া কথা বলি। কিন্তু উনি তখন সাবালকত্বের তুঙ্গে। উনি আমাকে সহজে ছাড়বেন কেন?
সাবালকত্ব প্রমাণ করতে হবে না? শোধ নিলেন আর কী! কিসের শোধ এইটা আর জিজ্ঞেস করবেন না।
যাই হোক, মুজিব ভাইয়ের বর্জন আমার ভালই লাগছে। সাবালকরা নাবালকদের বর্জন করলে নাবালকদের সুবিধা।
আপনাকে এই তর্কের মধ্যে জড়াবো না। দুঃখ প্রকাশ যেন আমার অবস্থানের জন্য দুঃখ প্রকাশ না হয়ে যায় সেটা স্পষ্ট করার জন্যই এত কথা।
আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s